OrdinaryITPostAd

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী সম্পর্কে জেনে নিন

 ভুমিকা :

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পিছনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল অপরিসীম।। শেখ মুজিব একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। তার করমধ্যম সাহস ও কণ্ঠস্বর ছিল তার বড় সহায়। কঠোর পরিশ্রমে সহকর্মীদের বিশ্বাস অর্জন করে তিনি বড় হয়েছিলেন। গ্রামে গঞ্জে নগরে তিনি দেশের মানুষকে আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা শুনিছেন এক অনুকরণীয় ও অতুলনীয় ভঙ্গিতে। তার আসার কথায় মানুষ উদ্দীপ্ত ও আশ্বস্ত হয়। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৭ ই মার্চ 1920 সালে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল শেখ লুৎফর রহমান এবং তার মাতার নাম মোছাম্মৎ সাহারা খাতুন । বাবা-মা তাকে খোকা বলে ডাকত। 

শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষাজীবন :

শেখ মুজিবুর রহমান সাত বছর বয়সে প্রাইমারি স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন স্কুলের নাম ছিল  গিমাডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল।  পরবর্তীতে নয় বছর বয়সে তিনি গোপালগঞ্জ  পাবলিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পুনরায় ভর্তি হন। তার চক্ষু রোগ হয়েছিল এ কারণে চার বছর পড়াশোনায় ব্যাহত হয়। দীর্ঘ চার বছর পড়াশোনা অব্যাহত হওয়ার পর তিনি আবার স্কুলে ভর্তি হন।

 ১৯৪২ সালে তিনি এসএসসি পাস করেন এবং কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে মানবিক বিভাগের ইন্টারনেটের ক্লাসে ভর্তি হন। কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ হতে বিএ পাস করেন ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে অধ্যায়নের জন্য ভর্তি হলেও তিনি পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলে মেয়ে কয়টি এবংতার স্ত্রীর নাম কি :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করেন তার স্ত্রীর নাম বেগম ফজিলাতুন্নেছা। শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তিন পুত্র শেখ কামাল শেষ জামাল ও শেখ রাসেল। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবন :

১৯৪৩ সালে মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তিনি সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া  কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৪৭ সালের পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হলে কলকাতায় ডাঙ্গা সৃষ্টি  হয় এই দাঙ্গা প্রতিরোধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

 ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দু পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার জন্য পূর্ব পাকিস্তানদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন, কিন্তু বাংলাদেশের মুজিবুর রহমান এর প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি গ্রেফতার হন এবং কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে মাওলানা ভাসানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকিটে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও মন্ত্রী হন । ১৯৫৫ সালে আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি হন এবং ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৬৯ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি হন। ১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ।সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাই। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাতে পাক বাহিনী  হত্যা হত্যাকাণ্ড শুরু করার পূর্বে মধ্যরাতে তিনি বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং গ্রেফতার হন এবং ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে এসে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা :

পৃথিবীর দুটি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ছিল এদেশের মুক্তির সংগ্রামের মাইল ফলক ও প্রেরণার উৎস। বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারিত হলেও এর বিষয়বস্তু ও নির্দেশনা ছিল একই এবং এতে শেখ মুজিবুর রহমানের কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব স্বীকৃত হয়েছেবঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ এর বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে অনুধাবন করা যায় যে তিনি পরোক্ষভাবে ওই দিনই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছিলেন ।

 ২৫ মাচ দিবাগত রাতে দেড়টায় সে মুজিবুর রহমানকে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং ওই দিন দিনের বেলা তিনি ঘটনা উপলব্ধি করে যে কোন জরুরি ঘোষণা প্রচারের লক্ষ্যে প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েকজন প্রকৌশলীকে নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাসভবনে একটি ট্রান্স মিটার স্থাপন করেন এবং বলে আওয়ামীলীগ সূত্রে উল্লেখ আছে। বন্দী  হওয়ার পূর্বে মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি ঢাকায় দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং পারলে চোখে চট্টগ্রামের ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের নিকট বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা পৌঁছে দিয়ে তা প্রচারের নির্দেশ দেন।

 এদিকে দেশের সকল রেডিও স্টেশন ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা জহুর আহমেদ চৌধুরী আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান সহ কতিপয় নেতার উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিতারকেন্দ্র থেকে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরিত করে চট্টগ্রামে কাঠের খাট প্রেরণ  কেন্দ্রটিকে বেতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয় 

এবং এর নাম দেওয়া হয় স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র। কারো কারো মতে এ কেন্দ্র থেকে 26 মার্চ বেলা ২.১০ তাই চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি প্রচার করেন এবং একই কেন্দ্র থেকে 27 মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান প্রথমে নিজ নামে 

এবং পরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন এরপর ৩০ মার্চ পর্যন্ত  মেজর জিয়াউর রহমান বহুবার ঘোষণাটি প্রচার করেন ১০ এপ্রিলে ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সরকার গঠিত হলে এ সরকারের পক্ষ থেকে সাংবিধানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

অপারেশন সার্চলাইট কিঃ

পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তি কামে বাঙালির কঠোর দমনের জন্য ১৯৭১ সালে  ২৫ শে মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে 'অপারেশন সার্চলাইট 'নামে অভিহিত করা হয়।

 মূলত ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাত থেকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমানে বাংলাদেশের যে সশস্ত্র ওই জান চালায় তার সাংকেতিক নাম দেয় অপারেশন সার্চলাইট যা এই কলঙ্কময় রাত্রে সংঘটিত হয়। অপারেশন সার্চলাইট ছিল কাঁদত নিরস্ত্র বাঙালি জনগোষ্ঠীর উপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। 

অপারেশন সার্চলাইটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি ছিল:

অপারেশন সার্চ লাইটের  প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ঢাকা সহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান শহর গুলোতে বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনে হত্যা সামরিক আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালির সদস্যদের নিজস্ত করণ অস্ত্রাগার রেডিও ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ দখল সহ প্রদেশের সামরিক কর্তৃত্ব গ্রহণ

 এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন কঠোর হাসতে দমন করে প্রদেশের পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। লিঙ্গ শ্রেণী অফিসার ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায় এই গণহত্যার প্রধান লক্ষ্য ছিল 

(১) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ভিত্তিক ছাত্র শিক্ষক বুদ্ধিজীবী 

(২) কথিত আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক কর্মী ও কলকারখানা তাদের শ্রমজীবী সমর্থক 

(৩) ব্যাপক হিন্দু সম্প্রদায়  (৪) তরুণ ছাত্র এবং যুব সম্প্রদায় (৫) বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবী এবং (৬) শ্রমজীবী ও গ্রামীণ জনগণ 

২৬ মার্চ রাত ১টাই অপারেশন সার্চলাইট  নামক সামরিক আঘাত শুরু সময় নির্ধারিত হলে পরে ২৫ মার্চ রাত ১১.৩০ টায় এগিয়ে আনা হয়। 

যেভাবে  সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শহীদ হয়েছিলেন :

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডে প্রসঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড প্রবন্ধে বর্ণনা করেছেন নিম্নোক্তভাবে '' মসজিদ থেকে আজানের ধনী ভেসে আসছে প্রতিটি মুসলমানকে আহবান জানাচ্ছে সে আহ্বান অপেক্ষা করে ঘাতকের দল এগিয়ে এলো ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটাবার জন্যে।

গর্জে উঠল হাতের অস্ত্র ঘাতকের দল হত্যা করলো স্বাধীনতা প্রান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই নরপিশাস রাহ হত্যা করলো আমার মাথা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে হত্যা করল মুক্তিযোদ্ধা ছাত্রনেতা শেখ কামালকে, শেখ জামালকে, তাদের নবপরিণীতা বধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে।যাদের হাতের মেহেদীর রং বুকের তাজা রক্তে মিশে একাকার হয়ে গেল খুনিরা হত্যা করল

 বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাতা শেখ আবু নাসেরকে সামরিক বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার তামিল যিনি রাষ্ট্রপতি নিরাপত্তা দানের জন্য ছুটে এসেছিলেন হত্যা করল কর্তব্য রাতে পুলিশ অফিসার ও কর্মকর্তাদের আর সর্বশেষ হত্যা করলো শেখ রাসেলকে যার বয়স মাত্র ১০ বছর। বারবার রাসেল কাঁপছিল মায়ের কাছে যাব বলে।তাকে বাবা ভাইয়ের লাশের ফাঁস কাটিয়ে মায়ের লাশের পাশে এনে নির্মমভাবে হত্যা করল।  

ওই জন্য খুনিরা যে এখানেই হত্যাকাণ্ড শেষ করেছে তা নয় এর সাথে একই সময়ে হত্যা করছে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মানিককে ও তার অন্তঃসত্তরটি আরজু মনিকে হত্যা করেছে কৃষক নেতা আব্দুর রব শেরওনিয়াবাদকে তার ১৩ বছরকন্যা বেবিকে, রাসেলের খেলার সাথী তার কনিষ্ঠপুত্র ১০ বছরের আরিফকে।

 জ্যেষ্ঠ পুত্র আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ দোস্ত সন্তান সুকান্ত ক, তার ভাতুষ্পুত্র সাংবাদিক শহীদ স্মরণীয় আবাদ ও নান্টুসহ পরিচালিকা ও আশ্রিত জনকে । স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সাথে বিশেষ ঘ্রাতা করল তারই মন্ত্রিপুর সদস্য খন্দকার মোস্তাক। রাষ্ট্রপতি হবার খায়েশে।খায়রুজ্জামান ,মোসলেম ছিল কর্ণের রশিদ, কর্নেল ফারুক, মেজর ডালিম, হুদা, শাহরিয়ার মহিউদ্দিন 

শেষ কথা :

বাংলাদেশের স্থপতি ও বাঙালি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের বাসিকে কেবল একটি স্বাধীন সহ মত জাতি রাষ্ট্র উপহার দেননি। তিনি সাড়ে তিন বছরের মধ্যে যুদ্ধবিও বিধ্বস্ত ক্ষতিগ্রস্ত এক সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের হাজারো সমস্যা প্রতিকূলতা জয় করে তাকে শক্ত বৃত্তির উপর দাঁড় করান। বাংলাদেশ সে বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদা সম্পন্ন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। 








এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪