OrdinaryITPostAd

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম





বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মে ফুটে উঠেছিল গরিব ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনের সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি কাজী নজরুল ইসলাম মেহনতি মানুষের জীবন চিত্র তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিদ্রোহী কুলি প্রভৃতি 
ভুমিকা : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের শৈশবকাল হতে যৌবন কাল এবং শেষ জীবনের ছিল অনেক বিশদ ময়। তার অধিকাংশ রচনায় ছিল শ্রমজীবী মানুষের জীবন চিত্র এবং শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের ন্যায্য হিসাব। মানুষের অধিকার কাজী নজরুল ইসলাম তার রচনার মধ্যে দিয়েইফুটে তুলেছেন
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম : কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ শে মে পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।কাজী ফকির আহমেদ এবং মায়ের নাম জায়েদা খাতুন ।তার ডাকনাম ছিল দুখুমিয়া।

কাজী নজরুল ইসলামের সৈনিক জীবন :

১৯১৭ সালের শেষ দিকে কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন।তিনি করাচি সেনাবাহিনীতে সৈনিক জীবন কাটান। সৈনিক থাকা অবস্থায় তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অংশগ্রহণ করেন। ১৯২০ সালের সৈনিক জীবন ত্যাগ করে কলকাতায় ফিরে আসেন।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবন : কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২০ সালের ১২ জুলাই নবযুগ সন্ধ্যা পত্রিকার সংযুগ্ম সংবাদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পত্রিকাটির প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদক ছিলেন শেরে বাংলায় কে ফজলুল হক। ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট তিনি ধূমকেতু পত্রিকাপ্রকাশিত করেন
১৯২২ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর তার কবিতা আনন্দময়ীর আগমনে প্রকাশিত হয়। এই রাজনৈতিক কবিতা প্রকাশের পর উত্তর সংখ্যা নিষিদ্ধ হয়। একই বছর ২৩ জানার যোগানই প্রবন্ধ গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত হয় এবং ওই দিনই তাকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯২৩সালের ১৬ জানুয়ারি বিচারের পর নজরুল ইসলাম এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তার বন্ধু অবস্থায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বসন্ত গীতিনাটী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন এই আনন্দে ছেলে বসে নজরুল ইসলাম সৃষ্ট সুখের উল্লাসে কবিতাটি রচনা করেন।

কাজী নজরুল ইসলাম কি কি পুরস্কার পেয়েছিলেন :


১৯৪৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে জগতারিণী উপাধি প্রদান করেন । ১৯৬০ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণ পদক প্রদান করেন।১৯৬৯ সালের রবীন্দ্রভারতীয় তাকে ডক্টরের ডিগ্রী প্রদান করেন। ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডক্টরের ডিগ্রী প্রদান করেন। ১৯৭৬ সালে সাহিত্যে তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
কাজী নজরুল ইসলাম কখন বাংলাদেশে আগমন করেন          
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৬ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে প্রথম ঢাকায় আসেন। ১৯৭২ সালের ভারত সরকার অনুমতিক্রমে ভারত হতে বাংলাদেশের স্থায়ীভাবে আনা হয়। এবং তাকে জাতীয় কোভিদ মর্যাদা দেওয়া হয়।
 ১৯৭৪ সালে এক সংবর্ধনায় তাকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি বাংলাদেশের রণ সংগীতের রচয়িতা। ১৯৭৬সালে জানোয়ার মাসের কবি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন।

কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে মৃত্যুবরণ করেন : মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট 

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্মসমূহ 

কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ সমূহ কি কি 
অগ্নিবীণা ,মরু ভাস্কর ,সঞ্চয়িতা, চিত্ত নামা, দোলনচাঁপা ,ছায়ানট, বিষের বাঁশি ,ফনি মনসা,

ঝিঙ্গে ফুল, নতুন চাঁদ, পূবের হাওয়া, সাম্যবাদী, সিন্দুর হিন্ন্দ্রবিন্দু

সর্বহারা, সন্ধ্যা, প্রলোশিকা, ভাঙ্গার গান, জিঞ্জির

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কবিতা সমূহের  নাম 


মুক্তি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম রচিত কবিতা এছাড়াও রয়েছে অনেক কবিতা সমূহ। প্রলয় উল্লাস বিদ্রোহী ,রক্তাম্বর ধরিনি মা, মহররম ,সাম্যবাদী ,আনন্দময়ীর আগমনে ,কান্ডারী হুশিয়ারি, খেয়াপাড়ের তরণী, পূজার রানী বাতায়ন পাশে গুবাক তরুণ শাড়ি, সিন্ধু ,অগ্রপতির, সাম্যসাচী ,গাড়ি তাহাদের গান, মানুষ আমি সৈনিক সংকল্প নারী চল চল জীবন বন্দনা তোষামোদ যৌবনের গান।

ঝিলিমিলি, মধুমালা, আলেয়া পুতুলের বিয়ে

কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কয়টি  


বাঁধনহারা, মৃত্যু ক্ষুধা, কুহেলিকা

কাজী নজরুল ইসলামের গল্প গ্রন্থ সমূহ :কাজী নজরুল ইসলামের গল্প গ্রন্থ সমূহ ব্যাথার, দান রিক্তের। বেদনশীল মালা

নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ সমূহের নাম কি


যুব জবানবন্দী দুর্দিনের যাত্রী, ইত্যাদি যুগবাণী রুদ্র মঙ্গল মন্দির ও মসজিদ

কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত গ্রন্থ সমূহ :

গানের মালা বুলবুল গুলবাগিচা চোখের ছাতক দ নজরুল ইসলামের সংগীত গ্রন্থ সমূহ

কাজী নজরুল ইসলামের চলচ্চিত্রের নাম কি:


কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে কানাডায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয় চলচ্চিত্রটির নাম ছিল নজরুল এবং পরিচালক ছিলেন philips প্যানেল। ইসলাম দুটি কাব্যগ্রন্থ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন কাব্য ২টি হলো খুকু ও কাঠবিড়ালি চলচ্চিত্র ধ্রুব নজরুল ইসলাম অভিনীত চলচ্চিত্র কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম বাঙালি মুসলমান চলচ্চিত্র কার।

মন্তব্য :অসামান্য জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। কাজী নজরুল ইসলাম চিত্র কারা এবং পত্রিকার সম্পাদনা ও তিনি করেছিলেন তোপ্রবন্ধ রচনা আরোছিলেন সংগীত কবিতা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদান রয়েছে। বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের কথা বাঙ্গালী জাতি চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪